উদ্ভট গল্প ০৫
পূর্বে ............
পর্ব ০৫
চমৎকার সকাল । ঝলমলে রোদের আভা ছড়িয়ে পড়েছে চারিদিকে। কি কোমল, কি স্বচ্ছ, কি স্নিগ্ধ! মানুষের জীবনটাও কি শিশুবেলায় এমন- কোমল, নির্মল- নিষ্কলুষ থাকে? নাকি শিশুর অবচেতন মনেও সুপ্ত- ঘুমন্ত অবস্থায় থাকে হাজারও চিন্তা- ভাবনা? যেমনটি ছোট বীজের ভিতর চারাগাছটি সুপ্ত- ঘুমন্ত অবস্থায় থাকে? তাহলে মানুষ কেন তুলনা করে ‘প্রকৃতি ও বৃক্ষ’ ‘জীবন ও প্রকৃতি’ অথবা ‘জীবন ও বৃক্ষ’ ? ভাবনাটা বোধ হয় একটু জটিল হয়ে যাচ্ছে। আগেই বলেছে ডিউক- বেশি জটিল ভাবনা ভাবতে তার ভাল লাগে না। তারপরও কেন যে এতো সব জটিল চিন্তা এসে মাথায় ভীড় করে? আসলে কোন কিছুকে নিজের মতো সাজিয়ে গুছিয়ে সু-চতুর উপাস্থানা কি কোন শিল্প? নাকি এরও নিগুঢ় সত্য- সুন্দর ধারা থাকে? আর তাকে কি এড়িয়ে যাওয়া যায়? অস্বীকার করা যায়? এর সুর কখনই কি কোন সত্য- সুন্দরের তাল- লয় মেনে চলে না? প্রভাতীরাগ অথবা নীলাম্বর, রং তুলি ও ক্যানভাস, ছবি, কবিতা,গল্প, আর্জিরত মারিয়া অথবা জীবনধারা- নিত্য কর্ম এগুলোর পেছনে কি সত্যের কোনই হাত থাকে না? এগুলো কি শুধুই কল্পলোকের ফানুশ? অথবা--- না থাক। আর গভীরে বিচরণ হয়তো বা ঠিক হবেনা। তাহলে চিন্তারে রেখে হয়তো অস্তমিত হবে হবে, নয়তো গর্জে উঠবে চেইন ভিত্তিক কোন রক্তচোখ, ক্ষমতা অথবা ছলনা অস্ত্র। কেননা অন্তরে এ সব শাখাই বিরাজমান। অন্তরের পরতে পরতে এগুলো থরে থরে সাজানো থাকে অতি যন্তে, অতি সংগোপনে । কলই তো বলের চেয়ে উত্তম। তারল্যের স্রোতে গা ভাসানো, সে তো উত্তমের চেয়েও উত্তম। এসব উত্তম চিন্তা ডিউকের মাথায় ঢোকে না। তার জীবনটা পাগলামী আর হেয়ালীপনায় ভরা । শিল্পসম্মত চিন্তা করা তার কাছে সবচেয়ে কঠিন কাজ বলে মনে হয়.


No comments
Thanks for message