Photo

Photo
mehadi kabir

উদ্ভট গল্প ০৪


পর্ব- ০৪
স্কুলের চাকুরিটা খুবই প্রয়োজন ছিলো ডিউকের। কিন্তু তাতো আর হলো না। এখন তাকে নতুন কোন ভাবনা ভাবতে হবে। ভার্সিটি জীবনটা কেমন তা দেখা হয়নি ডিউকের। অর্থাভাবে ঠিকমতো পড়ালেখাও হয়ে ওঠেনি ওর  । তবে সে মুখে মুখে অনেক কথা, অনেক গল্প শুনেছে। অর্থাভাবিরা নাকি লজিং থেকে পড়ালেখা করে, আবার কোন কোন বাসায় নাকি হোম টিচার হিসাবে থাকার নীলাম্বরী সৌভাগ্যও হয় হয় কারো কারো। ডিউক যদি এপথ গুলোর একটা বাছে নিতো তাহলে হয়তো বা তার জীবনের মোড় ঘুরে যেতে পারতো। হয়তো আসতো কোন নীলাম্বরী দিগন্ত । কারণ ছাত্র হিসেবে সে একেবারে খারাপ ছিলোনাপূর্বে
স্কুলের চাকুরিটা খুবই প্রয়োজন ছিলো ডিউকের। কিন্তু তাতো আর হলো না। এখন তাকে নতুন কোন ভাবনা ভাবতে হবে। ভার্সিটি জীবনটা কেমন তা দেখা হয়নি ডিউকের। অর্থাভাবে ঠিকমতো পড়ালেখাও হয়ে ওঠেনি ওর  । তবে সে মুখে মুখে অনেক কথা, অনেক গল্প শুনেছে। অর্থাভাবিরা নাকি লজিং থেকে পড়ালেখা করে, আবার কোন কোন বাসায় নাকি হোম টিচার হিসাবে থাকার নীলাম্বরী সৌভাগ্যও হয় হয় কারো কারো। ডিউক যদি এপথ গুলোর একটা বাছে নিতো তাহলে হয়তো বা তার জীবনের মোড় ঘুরে যেতে পারতো। হয়তো আসতো কোন নীলাম্বরী দিগন্ত । কারণ ছাত্র হিসেবে সে একেবারে খারাপ ছিলোনাকিন্তু ডিউকের মাথায় ছিলো কেবল সু- বিবক, ন্যায়- নীতি প্রতিষ্ঠার আত্মা- প্রত্যয় । অর্থের বিনিময়ে ভারাটে সাজার ইচ্ছা তার কোনদিন ছিলো না, নেই, থাকবে না সে চায় সৎ পথে থেকে সঠিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। তখনতো সময় ছিলো না, নেই, থাকবে না। সে চায় সৎ পথে থেকে সঠিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে। তখনতো সময় ছিলো না , তাই এখনই সময় । হয়তো সে পারবেও। প্রেম শ্বশত – পবিত্র। কিন্তু তার উল্টোদিকটা কেমন হয়! বড়ই জটিল ভাবনা। এতো জটিল ভাবনা ভাবতে ইচ্ছা করে না ডিউকের। শুধু ভালবাসলই বা কষ্ট দিলেই কি এর স্বরূপ উন্মোচিত হয় ? তাতেই কি চুকে যায় সব পাঠে ? ন্যায়- নীতি বোধ, আত্মীক অনুভূতি এগুলোকে একেবারেই তুচ্ছ মুল্যহীন ? নাকি----
না না – এতো ভাবনা তাকে দোলায়িত করলে হয়তো এক সময় সে চিন্তা শূণ্য হয়ে পরবে। পৃথিবীতে সব কিছুই নাকি পরিমিত ভাবে বন্টন করা থাকে। তাহলে চিন্তাও কি প্রিমাপের নিয়মে একেক জনের জীবনে বন্টিত? এরও কি কোন সীমা- পরিসীমা থাকে? যাকগে ওসব কথা। যারা বিশ্লেষক তারাই ওগুলো নিয়ে মাথা ঘামাক। নিজের উপর বিরক্ত হয়ে ওঠে ডিউক। স্কুল জীবনটাই অনেক সুন্দর ছিলো। আসলে শুধু স্কুল জীবন নয় বলতে গেলে ছাত্র জীবন। না ছিলো কোন ভাবনা –চিন্তা, না ছিলো কোন দায়- দায়িত্ব । ছিলো শুধু অফুরন্ত আনন্দ- হাসি- গান- আড্ডা। পড়লেখার ধার তেমন একটা ধারতো না ডিউক, আর তারই মাশুল এখন দিতে হচ্ছে তাকে। হঠাৎ হেনেরার ডাকে চিন্তা-স্রোতে বাঁধা পড়লো---

রাতের খাবার খাবে এসো---
ডিউক এসে খেতে বসলো। সাথে হেনেরাও। তোমার মনে আছে হেনেরা, একবার তুমি কি কান্ডটাই না করতে বসেছিলে- বলতেই ‘ও’ কি বুঝে নিলো কে জানে ? বিড়বিড় করে কি যেন বললো খুব একটা বোঝা গেলো না। তবে মনে হলো বললো ‘ওরা আমাকে দিয়ে করিয় নেবে।‘ কিন্তু এটা কিসের ইঙ্গিত তা ঠিক আচ করা
 চলবে...... 


Watch the video

No comments

Thanks for message

Theme images by merrymoonmary. Powered by Blogger.