মুখস্তকে ‘না’ বলি-০৪
বাদ
পরেনি- ‘ৎ’ – ও তাতে।
পরীক্ষার
ফলাফল প্লাসে প্লাস,
বাবা
বলে ছেলে মোর করেছে কাজের কাজ।
বিএ,
এম-এ পাস করে করে শেষে লন্ডন ফেরত
লোকে
বলে শাবাস-শাবাস, রহমত বহুত!
চাকুরী
করে সে, বেতন মেলা।
এরই
মাঝে ঘটে যায় বিধাতার খেলা।
বাবা
তার অসুস্থ, মৃত্যু শয্যায়
প্রাণ
পাখি খাঁচা ছেড়ে এই বুঝি যায়!
ডাক্তার-
নার্স আর লোক-লস্করে
দিবা
রাতি সারাক্ষণ সেবিছে তারে।
বাবার
মন তবু তৃপ্ত নয় তায়
রহমতের
একবার দেখতে সুধু চায়।
রহমত
ব্যস্ত মানুষ, মস্ত অফিসার
বাবার
সাথে দেখা দেবে সময় কই তার?
অসুস্থ
কাতর অতৃপ্ত মনে
শেষ
নিঃশ্বাস ত্যাগিলো, সুবহ-সাদিক ক্ষনে।
রহমত
আসেনি জীবদ্দশায়
মৃত
বাবাকে সমনে নিয়ে এখন পস্তায়।
শিক্ষা,
কৃষ্টি আর জ্ঞানের বিকাশ
সমন্বয়
ঘিটেনি, এইতো প্রকাশ!
মুখস্ত
বিদ্যা আর মহের টানে
ভুলেছিল
কথকতা, জীবনের মানে।


No comments
Thanks for message